অনেক সময় জীবন খুব কঠিন মনে না হলেও এক ধরনের শূন্যতা কাজ করে। প্রতিদিন অফিস, পড়াশোনা, সংসার বা অন্যান্য দায়িত্ব পালন করতে করতে অনেকেরই মনে হয়, তারা যেন শুধু দিন
গরমে এক গ্লাস ঠাণ্ডা ডাবের পানি যেন মুহূর্তেই স্বস্তি এনে দেয়। প্রাকৃতিক এই পানীয় শুধু তৃষ্ণা মেটায় না, শরীরের জন্যও রয়েছে নানা উপকারিতা। তাই অনেকেই নিয়মিত ডাবের পানি পান করেন।
আজকাল ওজন কমাতে অনেকেরই প্রথম পছন্দ ‘ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং’। এই পদ্ধতিতে দিনের একটা দীর্ঘ সময় (যেমন ১৬ ঘণ্টা) না খেয়ে থাকতে হয় এবং বাকি অল্প সময়ের (যেমন ৮ ঘণ্টা) মধ্যে খাবার
গ্রীষ্মের প্রচণ্ড এ দাবদাহে আমাদের সবার জীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছে। এই গরমে সুস্থ থাকার জন্য সবাই নানান ধরনের উপায় বের করার চেষ্টা করছেন। আবার অনেকেই প্র্রচণ্ড গরম সহ্য করতে না
এখন বাজারে পাকা আমের ছড়াছড়ি। হিমসাগর, ল্যাংড়া থেকে শুরু করে নানা জাতের আমে ম ম করছে চারপাশ। ব্যাগভর্তি করে আম কিনে আনার পর আমরা অনেকেই তা সরাসরি ফ্রিজে রেখে দিই।
সুস্থ থাকতে আমরা অনেকেই নিয়মিত ব্যায়াম করি। কিন্তু জিম, দৌড়ানো বা হাঁটা—যেটিই করি না কেন, তা থেকে সর্বোচ্চ উপকার পাওয়ার জন্য সঠিক সময় বেছে নেওয়া জরুরি। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা
চুল পড়া, চুল পাতলা হয়ে যাওয়া বা রুক্ষ হয়ে যাওয়া এখন অনেকেরই সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে ঘরোয়া যত্নে সহজলভ্য ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যাস্টর অয়েলে
ক্যান্সারের মতো মারণব্যাধি কি কেবল খাবার নিয়ন্ত্রণ করে ঠেকানো সম্ভব? স্ট্যানফোর্ড, জনস হপকিন্স ও ভারতের আইসিএমআর এর গবেষকরা বলছেন—হ্যাঁ, সম্ভব। গবেষণায় দেখা গেছে, সঠিক পথ্য বা ডায়েট মেনে চললে ক্যান্সারের
তপ্ত গরমে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে আমরা বারবার পানি পান করি। কিন্তু অনেকেই অভিযোগ করেন যে সারা দিন প্রচুর পানি খাওয়ার পরেও ক্লান্তি বা পানিশূন্যতা কাটছে না। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এর
কখনো তপ্ত রোদ, আবার কখনো ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি—আবহাওয়ার এই খামখেয়ালি সময়ে বাঙালির মন বারবার টানে গরম খিচুড়ির দিকে। বৃষ্টির দিনে ধোঁয়া ওঠা খিচুড়ির সঙ্গে যদি যোগ হয় ভুনা মাংস আর আচারের