ঘি আমাদের খাদ্য সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাঙালি খাবারে ঘি এর গুরুত্ব অনন্য। অনেক খাবারেই ঘি অপরিহার্য। খাঁটি ঘি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।যে ঘি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো এবং আপনি
শীতকাল মানেই আদর-চাদর জড়িয়ে রাখা শুভ্রতায় ভরা দিন। যেখানে থাকে না প্রখর রৌদ্র কিংবা মেজাজ খারাপ করা গরম। শান্ত-শিষ্ট এই ঋতুতে বিয়ের ধুম পড়তে দেখা যায়। অনেকেই বিয়ের জন্য শীত
রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে দেখা দিয়েছে প্রবল গ্যাস সংকট। কোথাও কোথাও রাতের শেষ ভাগে বা খুব ভোরে অল্প গ্যাস পাওয়া যায়, কোথাও আবার সেটিও নেই। সকালে ঘুম থেকে উঠেই রান্না করতে
চলছে শীতকাল। শীতের জন্য প্রতিদিন শ্যাম্পু করা সম্ভব হয় না। এদিকে শীতেই মাথায় সবচেয়ে বেশি তেলতেলে হয়ে ময়লা জমে। এর জন্য দূষণের প্রভাব তো আছেই। সঙ্গে শীতের আবহাওয়া। মুখে ক্রিম
পরিবেশে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদানের কারণে হওয়া সংক্রমণের হাত থেকে আমাদের শরীরকে বাঁচাতে হাঁচি হয়। একথা বলতেই হয় যে হাঁচি শরীরের পক্ষে খুব ভাল। কিন্তু নাক সুরসুরিয়ে হাঁচি আসলে আমরা অনেকে
টের পাওয়া যাচ্ছে শীতকাল এসে গিয়েছে। একটু একটু করে হিমেল চাদরে তাই মুড়ে যাচ্ছে পৃথিবী। সেই সঙ্গে দফা-রফা হচ্ছে অনেক কিছুর। খুচখাচ সর্দি-কাশি বারোটা বাজাচ্ছে স্বাস্থ্যের। সে না হয় সামলে
বর্তমান বাজারে পেঁয়াজের দাম আকাশছোঁয়া। তবে এখন শুধু নয়, মাঝেমধ্যেই দাম লাগামছাড়া হয়ে যায়। তখন রান্না করতে গিয়ে বিপাকে পড়তে হয়। জেনে রাখা ভালো, পেঁয়াজ ছাড়া কোনো কোনো রেসিপি হয়।
ফাস্টফুড খেতে কম-বেশি সবাই ভালবাসে। তেমনই স্ট্রিট ফুডের জনপ্রিয়তা চোখে পড়ার মতো। আর স্ট্রিটফুডের মধ্যে মমোর বেশ কদর রয়েছে। ছোট থেকে বড়দের কাছে প্রিয় একটি খাবার মমো। ফাস্টফুডের তালিকায় অনেকরই
ত্বকের আদ্রতা হারানো একটি বিরক্তিকর ব্যাপার। কারন ত্বকে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা না থাকলে অল্প বয়সেই বলিরেখা পড়ে যায়। যেভাবে বুঝবেন ত্বক আর্দ্রতা হারাচ্ছে: ত্বকে লালচে ভাব দেখা দেবে, এছাড়া অতিমাত্রায় স্পর্শকাতর
শীতের ঠান্ডা আবহাওয়ায় আমাদের স্বাস্থ্য বজায় রাখা অন্যতম প্রয়োজনীয় সমস্যা হয়ে ওঠে। শীতকালে আমাদের শরীরে ইমিউনিটি বজায় রাখা এবং শরীরকে শক্তিশালী করার জন্য ডাক্তাররা নানা মৌসুমি ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন।