প্রতিদিনের ইফতারে পেয়াজু, বেগুনি আলুর চপ তো সবাই কম বেশি খেয়ে থাকি। এক খাবার খেতে খেতে অনেক সময় মনে হয় একটু বিশেষ কিছু হলে ভালো হতো। এই সব দিনে ইফতারে
দিনভর রোজা রাখার পর ইফতারে কত কিছুই না খেতে মন চায়। হালিম ইফতারে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। মজাদার হালিমের কথা মনে হলে জিভে জল এসে যায়। স্বাস্থ্যকর উপায়ে ঘরেই বানিয়ে
ভারী খাবারের পর অনেকেই চান মিষ্টি কিছু মুখে দিতে। নানা রকম ডেজার্টের ভিড়ে দেশি মিষ্টান্ন পছন্দের শীর্ষে থাকে সবারই। রোজার সময় ইফতারের পর একটু মিষ্টি খেতে চান কেউ কেউ। সে
গ্রীষ্মের তীব্র গরমে ত্বকের প্রয়োজন বিশেষ যত্নের। এই সময়ের প্রখর রোদ ও বাতাসের আর্দ্রতার কারণে ত্বকে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। ত্বকে র্যাশ, চুলকানি ও তৈলাক্তভাব নিয়ে অনেকেরই দুশ্চিন্তার শেষ
ইফতারে একটু ঠান্ডা ঠান্ডা খাবার খেতে কার না ভালো লাগে। আর খাবারটিও যদি হয় পুষ্টিগুণে ভরপুর তাহলে তো কথাই নেই। অনেকেরই পছন্দের তালিকায় থাকে ফালুদার নাম। ইফতারে এ খাবার রাখলে
ইফতার আয়োজনে দু-এক দিন নানা স্বাদের পুডিং রাখতেই পারেন। স্বাদ আর পুষ্টিতে ভরপুর এ খাবার। অন্যদিকে যেহেতু গরমের তীব্রতা ভীষণ। তাই এ সময় ডাবের পানি শরীরের জন্য বেশ উপকারী। উপকারী
শরবত ছাড়া ইফতার কল্পনা করাও কঠিন। সারাদিনের ক্লান্তি দূর করতে এক গ্লাস ঠান্ডা শরবত বেশ কাজের। আর কে না জানে ভিটামিন সি তে ভরপুর লেবুজল ক্লান্তি দূর করতে বেশ ভালো
ইফতারে প্রথমেই প্রাধান্য দেওয়া উচিত পানীয়। তবে পানীয় নির্বাচনে সতর্ক হতে হবে। আমরা সাধারণত ইফতারে নানা ধরনের শরবত পান করি। শরবতে থাকে চিনি এবং নানান প্যাকেটজাত ফলের পাউডার। এসব কৃত্রিম
গোসল করতে গিয়ে কানে পানি ঢুকে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক একটি ঘটনা। কানে পানি ঢুকলে কান বন্ধ হয়ে যাওয়া, কানে যন্ত্রণার মতো নানা সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। তা ছাড়া পানি
রোজাদারদের ইফতারের প্রধান অনুষঙ্গ খেজুর। তাই রমজানে খেজুরের চাহিদা বাড়ে। ক্রেতাদের এই চাহিদাকে মাথায় রেখে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বাজারে বিক্রি করে ভেজাল ও মেয়াদ উত্তীর্ণ খেজুর। তবে ইফতারের খেজুর না