1. news.infotreat@gmail.com : admin :
  2. iftesyfunmarjan@gmail.com : ifte syfun : ifte syfun
  3. shahedshafiq24@gmail.com : Shahed Shafiq : Shahed Shafiq
  4. tanzinaislam00@gmail.com : tanin tanin : tanin tanin
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড কৃষি ও খাদ্য বাণিজ্য সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা সন্ধ্যার মধ্যে লোডশেডিং কমার সুখবর দিলেন প্রতিমন্ত্রী দেশের ৩ জেলায় নতুন এসপি, ১৭ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশে মারা যান কোকো: রিজভী  বাংলাদেশ নিয়ে ত্রিবেদীর সঙ্গে কী কথা হলো মোদীর? একটি নয়, দুই ইস্যুতে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত: জয়সোয়াল সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ও তার ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড কানাডায় ‘নিয়ন্ত্রণের বাইরে’ দাবানল, বাধ্য হয়ে ঘর ছাড়লেন ২২ হাজার মানুষ জানা গেল সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশির প্রাথমিক পরিচয় দেশে আরেক ফ্যাসিবাদ তৈরি হচ্ছে, জনগণ তা মেনে নেবে না: জামায়াত আমির

সন্ধ্যার মধ্যে লোডশেডিং কমার সুখবর দিলেন প্রতিমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬
  • ০ বার পঠিত

গ্যাস ও বিদ্যুতের চলমান সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, বুধবার সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে।

তীব্র সংকটে জনদুর্ভোগ বেড়ে যাওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে সামিট টার্মিনালে এলএনজি খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না। পাশাপাশি এক্সিলারেট টার্মিনালও পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না। এসব কারণে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, সংকট কাটাতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। তবে নির্দিষ্ট সময়সীমা বলা এই মুহূর্তে কঠিন।

সামিট টার্মিনালে এলএনজি কার্গো খালাসে বিলম্বের বিষয়ে তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়ার কারণে অপেক্ষমাণ কার্গোটি টার্মিনালে ভেড়ানো ও খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না।

অন্যদিকে, বয়লার-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে এক্সিলারেট টার্মিনাল বর্তমানে প্রায় ৫০ শতাংশ সক্ষমতায় চলছে। এটিকে পূর্ণ সক্ষমতায় নিতে হলে প্রায় ৭২ ঘণ্টা বন্ধ রাখতে হবে। জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বর্তমানে দুই টার্মিনাল থেকেই গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। তবে প্রকৃতির কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে কিছুটা অসহায়ত্ব রয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে সামিট টার্মিনালের এলএনজি খালাস করা সম্ভব হবে এবং গ্যাস সরবরাহও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার একটি কৌশল গ্রহণ করেছে এবং মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই তা বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। এর ফলে বুধবার সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে আশা করছেন তারা।

সংকটের কারণে মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে স্বীকার করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, এ পরিস্থিতির জন্য সরকার জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছে।

গ্যাস সংকট মোকাবিলায় মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চাওয়ার বিষয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, মালয়েশিয়াকে চিঠি দেওয়ার পর দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের মধ্যে ভার্চুয়াল বৈঠক হয়েছে। পরে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল মালয়েশিয়ায় যায়। দেশটির দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে এবং অন্তত একটি এলএনজি কার্গো পাওয়ার আশা করছে সরকার।

আইএসও ট্যাংকের মাধ্যমে এলএনজি আমদানির উদ্যোগের বিষয়ে তিনি বলেন, এটি একটি প্রক্রিয়াগত বিষয়। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইএসও ট্যাংক বাজারে পাওয়া যাবে কি না, সেটিও বিবেচনার বিষয়। তাই এটিকে তাৎক্ষণিক নয়, বরং মধ্যমেয়াদি সমাধানের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংকট মোকাবিলায় সরকারের হাতে থাকা সব বিকল্প নিয়েই কাজ চলছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ীদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত একটি সেমিনারেও বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছ থেকেও পরামর্শ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট কতদিন চলতে পারে—এ বিষয়ে নির্দিষ্ট সময় জানাতে না পারার ব্যাখ্যায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি তা জানানোর চেষ্টা করবেন। জনদুর্ভোগ কমাতে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

দেশের নিজস্ব গ্যাস উৎপাদন দ্রুত বাড়ানো সম্ভব নয় উল্লেখ করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া।

বর্তমান সংকটের পেছনে অতীতের বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্তের প্রভাব রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার দাবি, আগের সরকারগুলো দীর্ঘমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি সমাধানের পরিবর্তে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে এমন সংকটের মুখোমুখি হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল।

জনরোষের আশঙ্কায় পুলিশকে কোনো চিঠি দেওয়া হয়েছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তার মন্ত্রণালয় থেকে এ ধরনের কোনো চিঠি দেওয়া হয়নি। তিনি জানান, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) জনরোষের আশঙ্কায় চিঠি দিয়ে থাকতে পারে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2026 NEWS NOW BD
Theme Customized By Shakil IT Park