একবার ডায়াবেটিস ধরা পড়লেই খাওয়াদাওয়ায় নানা বিধি-নিষেধ শুরু হয়। মূলত এমন কিছু খাবার রয়েছে, যেগুলো খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম আলু। আলুতে শর্করা ও
আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন সকাল থেকে সারা দিন শরীরে মারাত্মক ক্লান্তি থাকেন। রাতভর ঘুমানোর পরেও সকালে ঝিমাতে থাকেন। কাজে এনার্জি পান না। এসব কিছুর মূলে রয়েছে সকালের খাবার। এমনটাই জানিয়েছেন
গরমে প্রায় সবারই মাথার ত্বক ঘামে। আর ঘাম যখন ধুলাবালির সঙ্গে মিশে চুলের গোড়ায় জমতে শুরু করে, তখনই দেখা দেয় নানা সমস্যা। চুলপড়া, খুশকি, মাথার ত্বকে অস্বস্তিকর চুলকানি, লালচে ভাব—অনেক
প্রায় সব প্রাণীর রক্তেই কোলেস্টেরল রয়েছে। একটি সুস্থ শরীরের জন্য প্রচুর কোলেস্টেরল প্রয়োজন। চর্বিজাতীয় এই পদার্থটি কোষ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি স্নায়ু কোষকে রক্ষা করতে এবং ভিটামিন ও
খাওয়া-দাওয়ার অনিয়ম, শরীরচর্চার অভাব ও অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন—এই সব কারণে দ্রুত হারে বাড়ছে উচ্চ পরিমাণে কোলেস্টেরলের সমস্যা। এমনকি এখন অনেক তরুণ-তরুণীর মধ্যেও ৩০ এর আগেই দেখা দিচ্ছে এই সমস্যা। বিশেষজ্ঞদের মতে,
ওজন কমাতে বেরি, স্ট্রবেরি, কিউয়ি কিংবা অ্যাভোকাডোর মতো বিদেশি ফল নিয়ে অনেক আলোচনা হলেও, দেশি পেয়ারা নিয়ে তেমন কথা শোনা যায় না। অথচ এই সাধারণ ফলটির উপকারিতা কিছুতেই ছোট করে
গ্রীষ্মের এই সময়ে বাজারে করলা পাওয়া যায়। দুপুরের খাবারের সঙ্গে তেতো স্বাদের এই করলা খেতে পছন্দ করেন অনেকেই। তবে তেতো স্বাদের কারণে অনেকেই এই সবজি খেতে চান না। সে জন্য
লুচি-পরোটা কিংবা রুটির জায়গা এখন অনেকের সকালের নাশতায় থাকে ওটস। বিশেষ করে ওজন কমাতে ইচ্ছুক মানুষদের মধ্যে এর চাহিদা বেশি। অনেকেই বিশ্বাস করেন, শুধু ওটস খেলেই ওজন কমে যাবে। কিন্তু
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকে তার ছাপ পড়ে, এই বিষয়টা অস্বাভাবিক নয়। অনেকেই দামি প্রসাধনী বা চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করেন ত্বক টানটান রাখতে। কিন্তু সবসময় তা খুব কার্যকর হয় না,
আমাদের আশপাশে এমন অনেক কিছুই আছে, যা আমরা ফেলনা হিসেবে ভাবি। কিন্তু এসবেরও রয়েছে নানা উপকারিতা। তেমনই একটি ফল আইস অ্যাপল বা তালের শাঁস। গ্রামবাংলার রাস্তার কোণে কোণে ফলে থাকা