আমরা সাধারণত ফলের খোসা ফেলে দিয়ে শুধু ভেতরের অংশই খাই। তবে অনেক ফলের খোসাতেও রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ, যা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। অনেক ফলের খোসায় এমন উপাদান থাকে, যা সরাসরি
চোখ দেহের সবচেয়ে স্বচ্ছ অঙ্গগুলোর একটি। চোখের সমস্যা আজকাল সব বয়সীদের মধ্যেই দেখা যায়। অনেকের ক্ষেত্রে আবার রাতে চোখে দেখায় অসুবিধা হয়। রাতকানা না হলেও, রাতেরবেলা দিনের তুলনায় চোখে দেখতে
প্রচণ্ড গরমের মধ্যে হুটহাট বৃষ্টি। এমতাবস্থায় আবহাওয়াও গরমে ঠান্ডায় যাচ্ছে। এই সময়ে ঘরে ঘরে জ্বর-সর্দি-কাশির রোগী বাড়ছে। বুকে কফ জমে যাচ্ছে অনেকেরই। অনেকেই আছেন যারা ঠান্ডা লাগলে ওষুধ খান না।
ইতিহাস বলছে, ১৬১৩ খ্রিস্টাব্দে রাজস্থানের বিকানিরে শাহী রাজ কচুরি তৈরির চল ছিলো। তবে শাহী রাজ কচুরির সঙ্গে আর পাঁচটা কচুরির অবশ্য খানিকটা হলেও পার্থক্য রয়েছে। শাহী রাজ কচুরি কিন্তু লুচির
পূজার সময়টা যেমন ভালো ভালো খাবার খাওয়ার, তেমনই চুটিয়ে আড্ডা দেওয়ার। আর আড্ডার সময় যদি মজাদার কোনো খাবার সামনে থাকে, তাহলে আড্ডার আনন্দ হবে দ্বিগুণ। আর বন্ধুরা যদি আপনার বাড়িতেই
আপনি কি সময় পেলেই প্রতিদিন পান করেন ফ্রুট জুস বা কোল্ড ড্রিংকস কিংবা কফি, তা হলে আপনার জন্য রয়েছে খারাপ খবর। কারণ নিয়মিত এসব পানীয়ে চুমুক দিলে স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার
অনেক বাচ্চারই বারবার মুখে ঘা হয়। সে সময় তারা একদম খেতে চায় না। আর বাচ্চাকে এমন কষ্টে দেখে মা-বাবার মন কেমন কেমন করে। অনেক সময় তারা বুঝে উঠতে পারেন না
মাইগ্রেনের ব্যথা উঠলে কেমন লাগে সেটা যাদের এই সমস্যা আছে তারা ভালো বলতে পারবেন। আবহাওয়া পরিবর্তনেই হোক কিংবা কড়া রোদ- অল্পতেই জেঁকে বসে মাইগ্রেনের ব্যথা। মাসের তিন-চার দিন ব্যথায় কাতরাতে
বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট শিশুদের জন্য একটি অপরিহার্য মাধ্যম হয়ে উঠেছে। তবে এর অতিরিক্ত ব্যবহার তাদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই শিশুর মোবাইল
কর্মব্যস্ত দিনে কায়িক শ্রম বা শারীরিক ব্যায়াম করা খুব একটা হয়ে উঠে না। সারাদিন বসে থাকতে থাকতে শরীরে মদে জমে, সেই সঙ্গে বাড়ে ওজনও। কিন্তু এভাবে চলতে থাকলে বিপদ খুব