সুস্বাদু, পুষ্টিকর এবং সহজে পাওয়া যায়—এই কারণেই আপেলকে বলা হয় ‘প্রতিদিনের খাবার’। অনেকেই প্রতিদিন আপেল খেয়ে থাকেন, কিন্তু আপেলের খোসা খাওয়া নিয়ে কিছুটা দ্বিধায় পড়েন। আপেলের খোসা খাওয়া উচিত নাকি
হালকা ঠান্ডা পড়ছে। কয়েকদিনের মধ্যেই জাঁকিয়ে বসবে ঠান্ডা। আর এই আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব পড়বে সরাসরি আমাদের শরীরে। এ সময় জ্বর, সর্দি, কাশি লেগেই থাকে। তবে এই সময় আরো একটি সমস্যা
ত্বকের যত্নে বেশিরভাগ মানুষ প্রাকৃতিক সমাধান খোঁজেন। প্রাকৃতিক উপাদানের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে গোলাপ জল। ত্বকের যাবতীয় সমস্যার সমাধান করে গোলাপ জল। গোলাপ জল ত্বকের উপর হাইড্রেশন হিসেবে কাজ করে। এটি
ধুলাবালি, ময়লা, রোদ, ঘাম, চুলের স্টাইলিং প্রডাক্ট- সব কিছু মিলে মাথার ত্বকে ময়লা জমে। অনেকের স্কাল্প অতিরিক্ত তৈলাক্ত থাকায় খুশকির সমস্যা বেশি হয়। খুশকির সমস্যায় নাজেহাল হতে হয় অনেককেই। ঘরোয়াভবে
বেদানার পুষ্টিগুণ কমবেশি সবারই জানা। তবে বেদানা থেকে আলাদা করে দানা ছাড়িয়ে খাওয়া বেশ ঝক্কির কাজ। অনেকেই যন্ত্রের সাহায্য বেদানার রস বের খেয়ে থাকেন। তবে রস ছেঁকে নিলে তার মধ্যে
দই একটি প্রাচীন এবং জনপ্রিয় খাদ্য উপাদান, যা শুধু স্বাদে নয়, পুষ্টিগুণে ও স্বাস্থ্য উপকারিতায় সমৃদ্ধ। দই আমাদের খাদ্য তালিকায় কেন অন্তর্ভুক্ত করা উচিত, তা জানার জন্য নিচে কিছু মূল
বাতাসে এরই মাঝে একটু একটু করে শীতের আগমনী বার্তা পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশ নাতিশীতোষ্ণ দেশ হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এখন শীতের প্রকোপ ভালোই টের পাওয়া যায়। শীতে সুস্থ থাকতে আমাদের শরীরের
ব্যস্ততার পরে সবাই চায় নিজের ঘরে বিশ্রাম নিতে। আর ঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকলে মনও থাকে ফুরফুরে। নানা করণে ঘরের মেঝে নোংরা হতে পারে। সাধারণত রান্নাঘর বা ঘরের মেঝে পরিষ্কার করার জন্য
সামনে আসছে শীতকাল। এই মৌসুমে সবারই ঠোঁট ফাটে। যা একটি ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। শীতের শুকনো আবহাওয়া, শরীরে জলশূন্যতা এবং কিছু পুষ্টির অভাবের কারণে ঠোঁটের ত্বক শুকিয়ে ফাটতে পারে। কিন্তু
পেঁপে কাঁচা বা পাকা, দুই অবস্থাতেই খাওয়া যেতে পারে। সুস্থ থাকতে নিয়মিত পেঁপে খেতে পারেন। এই ফলে রয়েছে জরুরি কিছু ভিটামিন, খনিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইবার। এতে মজুত একাধিক এনজাইম হজমক্ষমতা