ভিটামিন সি শরীরের সার্বিক সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পুষ্টি উপাদান। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ত্বকে কোলাজেন তৈরি করতে সাহায্য করে, ক্ষত সারায় এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কোষকে ক্ষতির হাত
অনেকের বাড়িঘর বা আশপাশের কিছু জায়গায় ধুলাবালির দেখা যায়! বাড়ি ঘরে থাকার নিরাপদ পরিবেশ খুব একটা থাকে না। আর এর ফলে শীতের এই সময়ে তাদের মধ্যে অনেকেরই ডাস্ট অ্যালার্জি দেখা
হাঁটলে যেমন ওজন কমে, তেমনই বাড়ে পেশির ক্ষমতাও। কিন্তু কোনভাবে হাঁটলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা চলতেই থাকে। সম্প্রতি ইন্টারনেটে জনপ্রিয়তা পেয়েছে একটি বিশেষ পদ্ধতি—‘১২-৩-৩০’ হাঁটা। অনেকেই
উচ্চ রক্তচাপ আজকাল একটি খুব সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদি সময়মতো এটি নিয়ন্ত্রণ না করা হয়, তবে এটি হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। বাজারে রক্তচাপ
আজকাল অল্প বয়স থেকেই নানা ক্রনিক রোগ হানা দিচ্ছে। এ ধরনের সমস্যা প্রতিরোধে সঠিক খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্ব অনেক। আমাদের হাতের কাছে এমন কিছু খাবার আছে, যা শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
শীতকাল তাপমাত্রা কমে যাওয়া এবং সংক্রমণ বাড়ার একটি সংবেদনশীল সময়। এ সময় উষ্ণ ও আরামদায়ক খাবারের প্রতি আকর্ষণ স্বাভাবিকভাবেই বাড়ে। শীতে প্রতিদিন পেয়ারা খেলে শরীর পায় বিশেষ পুষ্টিগুণ, যা ঠাণ্ডা
গাজরের পায়েস, নামের মধ্যেই লুকিয়ে আছে শীতের সকালের উষ্ণতা আর ঘরোয়া রান্নাঘরের মিঠে সুবাস। শীত আসতেই বাজারে টাটকা গাজর উঠলেই বাঙালি ঘরে যেন বাড়তি উৎসব শুরু হয়। দুধ, ঘি, এলাচ
আগেকার দিনের বেশিরভাগ ঘরোয়া টোটকাই দারুণ কার্যকরী। সেসময়ে মানুষ তাদের অভিজ্ঞতা থেকে নানা রকম উপায় খুঁজে বের করতেন, যার বেশিরভাগের পেছনেই থাকত বৈজ্ঞানিক ভিত্তি। তখন বেশিরভাগ মসলাই বাড়িতে গুঁড়া করা
ভাত বা খিচুড়ির সঙ্গে এক চামচ আচার থাকলেই যেন খাওয়াটা সম্পূর্ণ হয়। টক-ঝাল-মিষ্টি স্বাদের এই খাবার শুধু জিভের স্বাদই বাড়ায় না, বরং স্বাস্থ্যের পক্ষেও বেশ উপকারী। অনেকেই ডায়েটের হিসাব-নিকাশ ভুলে
কমলালেবু শীতকালীন ফল। তবে এখন সারাবছরই পাওয়া যায়। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সুস্বাদু এই ফল স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত পুষ্টিকর। কমলালেবু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, হজমে সাহায্য করে এবং